virus, protection, coronavirus

সারস কভি-২-র সময় কিভাবে হাঁপানি রোগীরা মাস্ক ব্যবহার করবেন

যুক্তরাজ্যের গবেষকরা বলছেন, যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি রয়েছে, তাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হলে মাস্ক ব্যবহার করা ঠিক হবে না।

বিশ্বে সারস কভি-২ ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার জেরে ৫০টির বেশি দেশে ফেসমাস্ক ব্যবহার করা এখন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ রয়েছে- তারা মাস্ক ব্যবহারে সময় কিছুটা সতর্কতার প্রয়োজন।

যুক্তরাজ্যের গবেষকরা বলছেন, যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ রয়েছে, তাদের শ্বাস নিতে কষ্ট হলে মাস্ক ব্যবহার করা কোনোমতেই ঠিক হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) বলছে, অ্যাজমা রোগীদের জন্য মাস্ক পরার বিষয়টি একটু ভিন্ন রকমের হতে পারে। তবে যাদের হাঁপানি রয়েছে, তাদের সারস কভি-২ হলে তাদের জন্য ঝুঁকির মাত্রাও বেশি। সে কারণে বিষয়টি নিয়ে সবারই ভাবতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাজমা অ্যান্ড অ্যালার্জি ফাউন্ডেশনের (এএএএফ) উপদেষ্টা ডা. ডেভিড স্টুকাস বলেন, যাদের অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ আছে যদিও তা হালকা বা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তাদের জন্য বাইরে বের না হওয়া বেশি ভালো। অন্য়দিকে যাদের আরও বেশ কিছু রোগ আছে, বা কোন সার্জারি করা আছে, অথবা বহুবার হাসপাতালে বিভিন্ন কারনে ভর্তি হয়েছেন, তারাও একটু বাড়তি সতর্ক থাকা বেশি দরকার।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাজমা অ্যান্ড অ্যালার্জি ফাউন্ডেশনের (এএএএফ) উপদেষ্টা ডা. ডেভিড স্টুকাস মনে করেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে কিংবা কোন দূষণের ফলেও অনেকে মাস্ক ব্যবহার করেন। আর এ বছর সারস কভি-২ এর জেরে তারা ছাড়াও অনেকেই মাস্ক পরছেন। তবে হ্যাঁ ভিড়ের মধ্যে মাস্ক বেশি জরুরি, কিন্তু হাঁটার সময় কিংবা একা থাকা অবস্থায় অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীদের মাস্কটি বেশি দরকার নেই।

ডা. ডেভিড স্টুকাস আরো বলেন, খুব সকালে অ্যাজমা রোগীরা বাইরে বের হওয়া উচিত। আবহাওয়া উষ্ণ হওয়ার আগেই তাদের বাড়ি ফিরে আসা দরকার। তাদের খেয়াল রাখতে হবে, কোনোভাবেই যেন শ্বাস মাস্কের মধ্যে জোরে টেনে নিতে না হয়।

More Stories
brain, inflammation, stroke
যে ৭ বদঅভ্যাস প্রতিদিন মস্তিষ্কের ক্ষতি করে